নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও যেভাবে সামরিক শক্তি অর্জন করেছে ইরান
ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের তীব্রতা ক্রমশ বাড়ছে। দুই দেশই পাল্টাপাল্টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। সংঘাতের এই পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি জড়িয়ে পড়তে পারে এমন আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।
এর আগে ২০২৪ সালের অক্টােবরেও দুই দেশ প্রায় যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে চলে গিয়েছিল।
এই প্রতিবেদনটি সেসময় তৈরি করা হয়েছে।
সম্প্রতি ইসরায়েলে আবারও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। এটিকে ইসরায়েলের অপরাধের ‘ন্যূনতম শাস্তি’ বলে উল্লেখ করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লাহ আলী খামেনী।
এ হামলার কৌশলগত দিক বিশ্লেষণ করে আমেরিকার ইনস্টিটিউট ফর দ্যা স্টাডি অফ ওয়ার বলছে, এত বেশি সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র এমনভাবে ছোড়া হয়েছে যেটি ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে চাপে ফেলেছে।
[] ইউরেনিয়াম এনরিচমেন্ট বা পরমাণু
সমৃদ্ধকরণ কী? কীভাবে এটি করা হয়?
[] কেন কাতারের মার্কিন ঘাঁটিতেই
হামলা চালালো ইরান?
[] এনসিপি নেত্রীর কাছে দুদক
টাকা চেয়েছে অভিযোগ হাসনাতের, কী বলছে সংস্থাটি
[] যে ইসরায়েলি প্রকৌশলী ফাঁস
করেছিলেন সেদেশের পারমাণবিক অস্ত্রের তথ্য
ইসরায়েলি বাহিনী সবার আগে ঘনবসতি এলাকায় হামলা ঠেকাতে চেয়েছে এবং তুলনামূলক কম ঘনবসতি এলাকা ঝুঁকির মুখে পড়ে।
এজন্য বেশ কয়েকটি বিমানঘাঁটি যেগুলো তুলনামূলক কম ঘনবসতি এলাকায় সেগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারেনি ইসরায়েল।
তেল আবিবের কাছে গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সদর দপ্তরের কাছেও আঘাত করতে সক্ষম হয়েছে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র।
আগে থেকেই ইসরায়েল বা আমেরিকার জন্য একটা বড় মাথাব্যথার জায়গা ছিল ইরান।
লেবাননের হেজবুল্লাহ, ইয়েমেনের হুথি, অথবা সিরিয়া ও ইরাকের বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর অস্ত্রশস্ত্রের পেছনে ইরানের সম্পৃক্ততার কথা এসেছে বারবার।
No comments