Verification: 9e4d9a3b2a6efeb4

Breaking News :

সমগ্র বাংলাদেশ · বিশ্ব · রাজনীতি

যে ছবি আজো পৃথিবীর মানুষকে কাঁদায় । এই সেই পৃথিবী কাঁপানো ছবি যা তোলার পর ফটোগ্রাফার আত্মহত্যা করেছিলেন



এই সেই পৃথিবী কাঁপানো ছবি যা তোলার পর ফটোগ্রাফার আত্মহত্যা করেছিলেন।

ছবিতে একটি শকুন বসে আছে কঙ্কালসার শিশুটির মৃত্যুর অপেক্ষায়, যেন মারা গেলেই সে ঝাঁপিয়ে পড়বে খাবারের ওপর! তুলেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার ফটোগ্রাফার কেভিন কার্টার।

 

মৃতপ্রায় শিশুটি ১৯৯৩ সালের মার্চ মাসে এক মুঠো খাবারের সন্ধানে দুর্ভিক্ষপীড়িত সুদানের আয়োদ থেকে প্রায় আধা মাইল দূরে জাতিসংঘের একটি খাদ্য বিতরণ কেন্দ্রের দিকে এগোচ্ছিল।

 

এক পর্যায়ে সে উবু হয়ে মাটিতে মাথা রেখে নিথর হয়ে যায়। তখন একটা ক্ষুধার্ত শকুন লোলুপ দৃষ্টি হেনে শিশুটির মৃত্যুর পর তার মাংস খাওয়ার জন্য প্রতীক্ষা করতে থাকে।

 

এই ছবি ১৯৯৩ সালের ২৬ মার্চ The New York Times পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। ছবিটি সেই সময় সারা দুনিয়াব্যাপী ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। ১৯৯৪ সালে ফিচার ফটোগ্রাফির জন্য পুলিৎজার পুরস্কার জিতেছিল এই ছবি।

 

ফটোগ্রাফার কেভিন কার্টার পুলিৎজার পুরস্কার জেতার মাস পর মাত্র ৩৩ বছর বয়সে আত্মহত্যা করেন। পরে জানা যায় ছবিটি তোলার পর থেকেই তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন।

 

ছবিটির বিষয়ে কেভিন কার্টার তাঁর ডায়রিতে লেখেন:

"হে সৃষ্টিকর্তা, আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে, আমি কখনোই আমার খাবার নষ্ট করব না তা যতই খারাপ স্বাদের হোক না কেন এবং আমি যতই ক্ষুধার্ত না হই কেন। আমি প্রার্থনা করি যে, তিনি এই ছোট্ট ছেলেটিকে রক্ষা করবেন, পথ দেখাবেন এবং তাকে তার দুঃখ থেকে মুক্তি দেবেন।

 

আমি আরো প্রার্থনা করি আমরা আমাদের চারপাশের পৃথিবীর প্রতি আরো সংবেদনশীল হব এবং আমাদের ভেতরের স্বার্থপরতা সংকীর্ণতা দ্বারা অন্ধ হয়ে যাব না।

 

 আমি আশা করি এই ছবি সর্বদা আমাদের জন্য উদাহরণ হিসেবে কাজ করবে যে, আমরা (শিশুটির তুলনায়) কতটা ভাগ্যবান এবং আমরা আমাদের জীবনধারণের খাবার কারণ ছাড়াই পেয়ে যাই এমনটা অবশ্যই মনে করব না।"

(কপি পোস্ট) 

No comments