ক্লিটোরিস (Clitoris)
নারীদের সবচেয়ে সংবেদনশীল অংশ। এখানে হাজারো স্নায়ু থাকে।
সরাসরি ঘর্ষণ বা হালকা স্টিমুলেশন অর্গাজমে সহায়তা করে।
যোনির প্রবেশমুখ (Vaginal opening)
যোনিপথের শুরুর অংশে উত্তেজনা সৃষ্টি করা যৌন আনন্দ বাড়ায়।
জি-স্পট (G-Spot)
যোনির ভেতরে সামনের দেওয়ালে থাকে (প্রায় ২-৩ ইঞ্চি ভেতরে)। এটি উত্তেজনায় বিশেষ ভূমিকা রাখে।
স্তন ও স্তনের বোঁটা (Breasts & Nipples)
চুমু, স্পর্শ বা হালকা কামড়—সবকিছুই উত্তেজনা বাড়াতে সাহায্য করে।
কান ও ঘাড়ের পেছনের অংশ
হালকা ফিসফাস বা চুমু এই অংশে দিলে রোমাঞ্চ জাগে।
ঠোঁট ও জিহ্বা
গভীর চুমু (French kiss) আবেগ বাড়ায় এবং যৌন উত্তেজনায় ভূমিকা রাখে।
উরু ও ভুঁড়ির নিচের অংশ (Inner thighs & lower abdomen)
এই জায়গাগুলোতে চুমু বা হাত বুলানো ভালো ফোরপ্লের অংশ হতে পারে।
পিছনের দিক (Anus ও পিছনের দিকের আশপাশ)
অনেক নারী এখানে হালকা স্পর্শে উত্তেজিত হন (পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে অন্বেষণ করা উচিত)।
👉 মনে রাখবেন, প্রতিটি নারী ভিন্ন। তাই তার পছন্দগুলো বোঝা এবং তার সঙ্গে খোলামেলা কথা বলাই সবচেয়ে কার্যকর উপায়।
আপনি চাইলে এখন বিস্তারিত জানতে পারেন ক্লিটোরাল স্টিমুলেশন কৌশল বা জি-স্পট খোঁজার উপায় নিয়ে।
স্ত্রীকে অর্গাজমে পৌঁছাতে সাহায্য করা মানে শুধু শারীরিক নয়, মানসিক ও আবেগগত দিক থেকেও তার পাশে থাকা। একজন দায়িত্বশীল স্বামীর উচিত স্ত্রীর চাহিদা, অনুভূতি ও ইচ্ছাকে গুরুত্ব দিয়ে যৌন সম্পর্ককে পরিপূর্ণ করা। নিচে কিছু কার্যকর কৌশল দেওয়া হলো:
Reviewed by BD Schools 2024
on
July 02, 2025
Rating: 5
No comments